৬ষ্ঠ বছর পুর্তি
দেখতে দেখতে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের ৬ষ্ঠ বছর পুর্তি । গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অপ্রতিরোধ্য টেকসই উন্নয়নে আইসিটি (ডিজিটাল সেন্টার) অন্যতম। আইসিটি সর্বক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়লেও নাগরিক সুবিধা পাচ্ছে শুধুমাত্র ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে। যা সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে, অর্জিত হয়েছে এ্যাওয়ার্ড। নিভৃত পল্লীতে আজ ডিজিটালের ছোয়া লেগেছে। নির্মিত হয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশ। বাস্তবায়িত হওয়ার পথে ভিষন ২০২১।
আইসিটির পাল তুলে উদ্যোক্তারা যখন ডিজিটাল সাগর পাড়ি দেয়ার জন্য সমুদ্রের মাঝখানে তখন যেন হঠাৎ পালে বাতাস না লাগার আশংখা। কেন জানি এ বছর বর্ষপুর্তিতে উপজেলা, জেলা, বিভাগ, দপ্তর, অধিদপ্তর, মন্ত্রণালয় নিরব ভূমিকা পালন করলেন। যার ফলে হতাশার পাল্লাটা আরো নীচের দিকে টানছে। তাহলে কি ইউডিসি এ পর্যন্তই না কি সদাসয় সরকার আমাদেরকে নিয়ে নতুন কিছু ভাবছেন এ প্রশ্ন এখন সকল উদ্যোক্তার।
রংপুর বিভাগের দিনাজপুর জেলা উদ্দ্যোক্তা ফোরামের সভাপতি মো: সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে উদ্যোক্তারা প্রায় ডিজিটাল সেন্টারে গিয়ে বসে থাকত, ছিলোনা তাদের কোন আয়, তবুও আশায় আশায় তারা তাদের শ্রমকে কাজে লাগতে থাকল শুধু মাত্র জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে, এখনো অনেক ডিজিটাল পাগল আছেন যাহাদের বাড়ীতে দুই মুঠো ভাত খাওয়ার ব্যবস্থা নেই তবুও দেশকে ডিজিটাল করতে ব্যপক ভুমিকা রাখছে। এ ভাবে চলছে বর্তমানে প্রায় সব ইউডিসি । কিন্তু যখনি তাদের সুখের দিন আসতে শুরু করল ঠিক তখনি আরেক (সতিনের মত) অন্য আরেক জন আসার ঘোষণা হল, সরকার ইউনিয়ন পরিষদে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর নিয়গের ঘোষণা দিলেন আর তাতে উদ্যোক্তারা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত! কেনই বা নয়…অফিস সহকারী নিয়োগ হলে উদ্যোক্তারা কোথাই যাবে। তাদের নূন্যতম আয় টুকুও চলে যবে । তাদেরকে অন্যত্রে চলেযেতে হবে। আর গিয়ে বা কি হবে ? তাদের অনেকের চাকুরির বয়স আর নেই। দুঃখী হয়ে ডিজিটাল নিয়ম বুঝে আফসোস করা ব্যতিত আর কিছু করার থাকবেনা। বিভিন্ন ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার পরির্দশ করে উপল্লিধি করেন যে বাংলাদেশের ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্দ্যোক্তাদের পায়ের নিচে বর্তমানে মাঠি নাই। উদ্দ্যোক্তাদের এক সাথে কাজ করার আহব্বান জানান তিনি ।
ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের দাবি! ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে উদ্যোক্তাদের অবদান…………
দিন বদলের বইছে হাওয়া, ডিজিটাল বাংলাদেশ মোদের প্রথম চাওয়া” কারো চাওয়া, কারো পাওয়া
তেমনি দেশের প্রায় ৯০০০ হাজার ডিজিটাল সেন্টারের সৈনিক তাদের ভবিষ্যৎ হারাবে বলে আশঙ্কিত,
১. অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হউক।
২. ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার স্থায়ীকরন ও উদ্দ্যোক্তাদের জাতীয়করন করা হউক ।
একটা সময় উপযোগী সঠিক সিদ্ধান্তে ডিজিটাল সৈনিকরা দেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে নিয়ে যাবে।
তাদের কে দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন হবে। এমনটাই প্রত্যাসা ইউডিসি উদ্যোক্তাদের।
প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ডিজিটাল সেন্টার যখন ভালোভাবে চলছে, তখন অনেকে আসেন সেখানে তাদের মামা, সালা, ভাই বা আত্মীয়দের বসানোর জন্য। তবে আমি সতর্ক করে দিতে চাই, যারা জনপ্রতিনিধি—মেম্বার, চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর—কেউ যেন আমার এই ডিজিটাল সেন্টারে শিং দিয়ে গুঁতোগুঁতি না করে। যতই শিং দিয়ে গুতোগুতি করেনা কেন কোন লাভ নাই। যারা উদ্যোক্তা, প্রথম ডিজিটাল সেবা কাজ শুরু করেছে, তাদের কেউ সরাতে পারবে না। তাদের স্থান অবশ্যই ডিজিটাল সেন্টারে সেখানেই থাকবে। ইনসাআল্লাহ
কিন্তু আজো অনেক ইউনিয়নে তাদের শিং এর ধারলো আঘাতে ক্ষত বিক্ষত উদ্যোক্তারা।
ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে উদ্যোক্তদের অবদান অনেক ,তারা আজ বিশ্বসেরা ওয়েব পোর্টাল তৈরি করেছে, অনলাইন জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন,-ই-কর্মাস, আউট সোর্সিং, সহ শত শত কাজ করে থাকে, এমনকি ইউনিয়ন পরিষদের প্রায় কাজ উদ্যোক্তারাই করে থাকেন। সুতারাং ইউনিয়ন পরিষদে লোক নিয়োগ করা হলে উদ্দ্যোক্তাদের করা হওক কেননা উদ্দ্যোক্তারা সৎ যোগ্য ও প্রশংসনীয় যাহা দেশ থেকে বিদেশেও প্রমাণিত হয়েছে।
(লিখাগুলো পত্রিকায় প্রকাশ করার জন্য অনুরোধ করা হল।)
মো: সাখাওয়াত হোসেন
সভাপতি
ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার জেলা শাখা,
রংপুর, দিনাজপুর।
মোবাইল: ০১৭১৩-৭৮৮১৪৯
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস